ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা রাহাত হোসেন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। ক্রিকেট তার প্রিয় খেলা, আর বিপিএল মৌসুম মানেই তার কাছে উৎসব। গত বছর একজন বন্ধুর কাছ থেকে meg2-এর কথা জানেন। শুরুতে সন্দেহ ছিল — অনলাইনে টাকা দেওয়া নিরাপদ কিনা, উইথড্র করতে ঝামেলা হবে কিনা। কিন্তু বন্ধুর অভিজ্ঞতা শুনে ছোট একটা ডিপোজিট দিয়ে শুরু করেন।
প্রথম সপ্তাহে তিনি শুধু দেখেছেন — কোন দলের অডস কেমন, লাইভ বেটিংয়ে অডস কতটা পরিবর্তন হয়, কোন বাজারে বেশি মার্কেট পাওয়া যায়। meg2-এর ইন্টারফেস তার কাছে পরিচ্ছন্ন মনে হয়েছে। বাংলায় মেনু ও তথ্য থাকায় বুঝতেও সমস্যা হয়নি।
দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে তিনি বেট শুরু করেন। কৌশল ছিল তিনটি নিয়মে আবদ্ধ — এক: প্রতি ম্যাচে মোট ব্যালেন্সের ৫%-এর বেশি বেট নয়। দুই: অ্যাকুমুলেটর বা পার্লে বেট নয়, শুধু সিঙ্গেল বা ডাবল। তিন: হারলে সঙ্গে সঙ্গে পরের ম্যাচে বেট বাড়িয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা নয়।
তিন মাসের শেষে রাহাত বলেন, meg2-এ তার অভিজ্ঞতা মোটের উপর ভালো। পেমেন্টে কোনো দিন সমস্যা হয়নি, একবার সাপোর্টে যোগাযোগ করতে হয়েছিল একটা টেকনিক্যাল ইস্যুতে — সেটা বাংলায় দ্রুতই সমাধান হয়েছিল। তবে তিনি সবাইকে সতর্ক করেন — বেটিং বিনোদনের অংশ, কখনো জীবিকার উৎস ভাবা উচিত নয়।